জেনে রাখুন কিশোর-কিশোরীর ব্রনের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

0
120

প্রত্যেক কিশোর-কিশোরী এবং যুবক-যুবতীদের কোনো না কোনো সময়ে ব্রণ দেখা যায়। সাধারণত ১২ থেকে ২০ বছরের ছেলেমেয়েদের মুখে, কপালে, ঘারে, বুকে, পিঠে ও বাহুতে ছোট ছোট গুটি দেখা যায়।

আমাদের শরীরে সিবাম নামে এক প্রকার তৈলাক্ত পদার্থ লোমকূপের গোড়া বা ত্বকের সুক্ষ ছিদ্র দিয়ে দেহের বাইরে এসে ত্বককে নরম ও মোলায়েম রাখে। যখন এই তৈলাক্ত পদার্থ বের হয়ে আসতে পারে না, ত্বকের ভেতরে জমা হতে থাকে তখন এক সময় চামড়া ঠেলে উচুঁ হয়ে ওঠে এবং ত্বকের ওপর ছোট ছোট ফুঁসকুড়ির সৃষ্টি হয়। এগুলোকেই বলা হয় ব্রণ।

“”কারণ:

১.পিতা-মাতার ব্রণ থাকলে তাদের সন্তানের ব্রণ হতে পারে।
২.ইসট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন (স্ত্রী হরমোনের ) ভারসাম্য ঠিক না থাকলে মহিলাদের ব্রণ হয়।
৩.কোষ্ঠকাঠিন্য হলে ব্রণ হয়।
৪.জণ্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করলে।
৫. মাসিকের পূর্বে বা মাসিকের সময় ব্রণ হতে পারে৷ আবার মাসিক শেষে ব্রণ ভাল হয়ে যায়।

৬.বিভিন্ন প্রসাধনসামগ্রী ব্যবহারের কারণে ব্রণ হতে পারে। অনেক প্রসাধন দ্রব্যে ঘন তেল বা গ্রিজ থাকে। এগুলো লোমকূপের মুখ বন্ধ করে দিয়ে ব্রণের সৃষ্টি করে।

৭.অনেক সময় ঔষধের কারণে মুখে ব্রণ হতে পারে।

৮.আঁটসাঁট কাপড় ও শক্ত কলার পরলে ঘাড়ে ব্রণ হতে দেখা যায়।
৯.উলের কাপড়ে অনেকের ব্রণ বাড়ে।
১০.মোটা টাইট জিন্সের প্যান্ট পরলে পশ্চাতদেশে ও উরুতে ব্রণ হতে পারে।

১১.অপরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে ব্রণ হতে পারে।

“”লক্ষণ:

১.চামড়ার ওপর ছোট ছোট ফুঁসকুড়ির মতো দেখা যায়।

২.অনেক সময় পুঁজভর্তি হয়ে পারে।

৩. দেখতে লাল লাল দেখা যায় এবং ব্যথা থাকে।

৪. অনেক সময় ঘায়ের মতো হয়ে যায়।

৫. ব্রণ চাপ দিলে সাদা আঠালো পদার্থ বের হয়।

৬.জীবাণুর সংক্রমণ হলে ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং শুকাতে দেরি হয়৷ কালো কালো দাগ এবং গর্তের সৃষ্টি হয়।

“”প্রতিকার:

১. ব্রণ হাত দিয়ে চাপ দেওয়া যাবে না। এতে ব্রণ আরো খারাপ হয়ে যায় এবং ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

২. তৈল যুক্ত কোল্ডক্রিম, মেকআপ, ফাউন্ডেশন ক্রিম ইত্যাদি তৈলাক্ত জিনিস ব্যবহার না করা।

৩.দিনে দুই থেকে তিনবার তৈল ছাড়া সাবান দিয়ে মুখ ধুতে হবে।

৪.ব্রণের উপর গরম পানি ব্যবহার করা যাবে না।

৫. ব্রণ হাত দিয়ে খুঁটবেন না।

৬.সাবান দিয়ে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে বারবার মোলায়েম ভাবে চেপে পানি পরিষ্কার করতে হবে। প্রদাহযুক্ত ত্বকে কখনো জোরে ঘষাঘষি করা উচিত নয়।

৭.ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করতে হবে প্রচুর পরিমাণে।

৮.দুশ্চিন্তা করা যাবে না।

৯. বেশী করে পানি খেতে হবে।

১০.কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয় এরূপ খাবার গ্রহণ করতে হবে।

বিঃদ্রঃ- লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন। আপডেট সব খবরা- খবর ও অসাধারণ সব টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক এবং গ্রুপে জয়েন করে একটিভ থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here